
প্রায় সব শ্রেণির মানুষের হাতে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট রয়েছে। চিকিৎসকগণ ডিজিটাল কানেক্টিভিটির মাধ্যমে নিজেদের একটি পার্সোনাল ব্র্যান্ড তৈরি করে তাঁদের সেবা ও পরিচয় খুব সহজেই তুলে ধরতে পারবেন, যা ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এ একেবারেই প্রায় অসম্ভব। এছাড়া বর্তমানে ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর চেয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গ্রহণযোগ্যতাও এখন অনেক বেশি।

মাত্র ৪.৩% ডাক্তার ডিজিটাল মার্কেটিং-এর সুবিধা নিচ্ছেন |

কারন

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে অনেক ডাক্তার নিজের ডিজিটাল মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং করছেন এবং চমৎকার পরিচিতিও পাচ্ছেন, মানুষজনও তাদের থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে ভীষণ ভাবে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

সঠিক ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের অভাবে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে পাশের দেশে যাচ্ছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করলে সুনিশ্চিতভাবে বিরাট পরিবর্তন সম্ভব!

যতএত খরচ, চিকিৎসায় আন্তরিকতার অভাব সহ ভালো চিকিৎসা দিতে না পারার মত বিষয় কৌশলগত ভাবে জনমনে ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে দেশীয় চিকিৎসক থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে বিমুখ করতে পাশের দেশ সহ আমাদের দেশের বিভিন্ন এজেন্সি আগে অফলাইনে ও এখন ডিজিটাল প্লাটফর্মে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই, ডাক্তাররা নিজেদের ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে দ্রুত সচেতন করে নিশ্চিত করতে হবে যে আমাদের দেশেও উন্নত চিকিৎসা সম্ভব যেখনে খরচও সাধ্যের মধ্যে।

খুব অল্প কয়েকজন ডাক্তার ছাড়া বাংলাদেশে ডিজিটালি তেমন কোন পরিচিতি ও সুনাম নেই। কারন, ডাক্তারদের একটি বিশাল অংশ ডিজিটাল মার্কেটিংকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। ডিজিটাল বিপ্লবের এই যুগে একজন ভালো ডাক্তার হিসেবে নিজের পরিচিতি ছড়িয়ে না দিলে আরসবার থেকে পিছিয়ে থাকতে হবে।

একটি মানসম্পন্ন ওয়েবসাইট ও সোসাল মিডিয়ায় আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা উপস্থাপিত হবে, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ খুব দ্রুত আপনার কর্ম দক্ষতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবে।

ডিজিটাল বিপ্লবের এ সময়ে ডাক্তার হিসেবে আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা শেয়ারের মাধ্যমে পার্সোনাল ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরির এখনই সময়। আর নতুন হলেও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিংয়ের যুগে পিছিয়ে থাকা আপনার একদমই উচিত নয়।

একজন ডাক্তারের অনলাইন গ্রোথের জন্য অন্তত ৩ টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট ম্যানেজ করা প্রয়োজন

বাংলাদেশের ১ নম্বর বিজনেস প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক। দেশের প্রায় ৬.৫ কোটিরও বেশি মানুষ শুধু ফেসবুক ব্যবহার করছে।

ইন্টারনেটের ৯০ ভাগই গুগলের দখলে। জনপ্রিয় এ প্লাটফর্ম মার্কেটিংয়ের জন্য অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গুগলের পরে, ইউটিউব দ্বিতীয় বৃহত্তম অনুসন্ধান কেন্দ্র। প্রায় ৩ কোটিরও বেশি মানুষ ইউটিউব ব্যবহার করছে।

দৃষ্টিনন্দন, ইউজার ও এসইও ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা উপস্থাপিত হবে।

ফেইসবুক, গুগল ও ইউটিউব বুস্টিং করে টার্গেট অডিয়েন্স ও নির্দিষ্ট এরিয়ায় সর্বোচ্চ ফলাফল নিশ্চিত করা।

গুগল ম্যাপের ব্যাবহার হু হু করে বেড়েই চলেছে। ম্যাপে চেম্বার লোকেশন লিস্টিং করে পরিচিতি বৃদ্ধি করা।

বিপুল সংখ্যক টার্গেট অডিয়েন্স এর নিকট পৌছানোর এবং যুক্ত হওয়ার একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হচ্ছে ফেসবুক গ্রুপ।

ফটো ও ভিডিও শেয়ার ভিত্তিক জনপ্রিয় সোশ্যাল প্লাটফর্ম, যা মার্কেটিং এর জন্য কার্যকর মাধ্যম। ৮৩% ইউজার এ প্লাটফর্ম থেকে বিভিন্ন প্রোডাক্ট ও সার্ভিস সম্পর্কে জেনে থাকেন।

মনোয়ারা সনো সেন্টার এ্যান্ড নার্সিং হোম ঠিকানা ঃ হাসপাতাল রোড, জীবন নগর, চুয়াডাঙ্গা

মনোয়ারা সনো সেন্টার এ্যান্ড নার্সিং হোম ঠিকানা ঃ হাসপাতাল রোড, জীবন নগর, চুয়াডাঙ্গা

প্রাইম ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স। পঞ্চগড়

Doctort's Dental Care, Dhaka